ইসলামী সূত্র

  • features

    1. home

    2. article

    3. সূরা রা’দের ২৩ নং আয়াতের অনুবাদ ও সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা

    সূরা রা’দের ২৩ নং আয়াতের অনুবাদ ও সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা

    সূরা রা’দের ২৩ নং আয়াতের অনুবাদ ও সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
    Rate this post

    ২৩ নং আয়াতের অর্থঃ ” স্থায়ী স্বর্গে তারা এবং তাদের সৎকর্মশীল পিতা-মাতা, পতি-পত্নী ও সন্তানগণ প্রবেশ করবে এবং ফেরেশতাগণ তাদের নিকট প্রত্যেক দ্বার দিয়ে উপস্থিত হবে এবং বলবে, তোমরা কষ্ট বরণ করেছ বলে তোমাদের প্রতি শান্তি। এই পরিণাম কত ভাল!”

    আগের আয়াতে বলা হয়েছে, মুমিন মুসলমানরা আল্লাহর এবাদত-বন্দেগীতে যেমন নিষ্ঠাবান তেমনি তারা সামাজিক দায়িত্ব পালন এবং দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষের সাহায্যের ক্ষেত্রেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এই আয়াতে বলা হচ্ছে, এ ধরনের মুমিন মুসলমানরা পরকালে বেহেশতে প্রবেশ করবেন এবং সেখানে ফেরেশতারা তাদের প্রতি সম্মান ও সালাম প্রদর্শন করবেন। এই আয়াতে বলা হয়েছে, সৎকর্মশীল ঈমানদাররা তাদের পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততিসহ বেহেশতে প্রবেশ করবেন। এটা খুবই স্বাভাবিক এজন্য যে, যারা এই গুনের অধিকারী তারা যে মা-বাবার কাছ থেকে সুশিক্ষা পেয়ে বড় হয়েছেন তাতে সন্দেহ নেই, পরবর্তীতে এসব সুশিক্ষিত ব্যক্তিরা সমাজের গুণবতী নারীকেই নিজের সহধর্মিনী হিসেবে বেছে নেয় এবং সন্তান-সন্ততিদেরকে ঈমানদার ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট হয়। ফলে ঈমানদাররা তাদের পিতা-মাতা, পতি-পত্মী এবং সন্তান-সন্ততিসহ বেহেশতে প্রবেশের সুযোগ লাভ করবেন-এ আয়াতে সেদিকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে। তবে তাদের মধ্যে কেউ যদি এসব গুণের অধিকারী না হয় তাহলে তার স্থান বেহেশতে হবে না।

    সাবর্ বা ধৈর্য্য হচ্ছে মানবিক উৎকর্ষতা এবং পরিপূর্ণতা অর্জনের মূল চাবিকাঠি। জীবণের সব ক্ষেত্রে ধৈর্য্য ,সহনশীলতা এবং নিষ্ঠার মাধ্যমে উৎকর্ষতা ও পূর্ণতা অর্জন করা সম্ভব।