ইসলামী সূত্র

  • features

    1. home

    2. article

    3. সূরা রা’দ ছয় নং আয়াতের অনুবাদসহ সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা উপস্থাপন

    সূরা রা’দ ছয় নং আয়াতের অনুবাদসহ সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা উপস্থাপন

    সূরা রা’দ ছয় নং আয়াতের অনুবাদসহ সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা উপস্থাপন
    Rate this post

    ছয় নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে” তারা আপনার কাছে মঙ্গলের পরিবর্তে দ্রুত অমঙ্গল কামনা করে। যদিও তাদের পূর্বে এর বহু দৃষ্টান্ত গত হয়েছে। মানুষের সীমালঙ্ঘন সত্ত্বেও আপনার প্রতিপালক মানুষের প্রতি ক্ষমাশীল। এবং নিশ্চয়ই আপনার প্রতিপালক শাস্তিদানেও কঠোর।”

    আল্লাহর রাসুল (ছঃ) যখন হুমকির সূরে মানুষকে সতর্ক করে দিয়ে বলতেন, যদি সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহর নির্দেশ অমান্য কর এবং তাঁর অবাধ্য হও তাহলে জেনে রাখ শুধু পরকালেই নয় ইহকালেও তোমরা তার শাস্তি থেকে রেহাই পাবে না। তখন ঔদ্ধত কাফেররা বলত, তোমার বেহেশত আমাদের কোন প্রয়োজন নেই, যদি তোমার কথা সত্য হয়ে থাকে তাহলে এখনই ঐশী শাস্তি আন দেখি। কাফেরদের এ ধরণের কথার পরিপ্রেক্ষিতে এই আয়াতে বলা হয়েছে, তারা শাস্তি বা অকল্যাণের জন্য খুব তাড়াহুড়া করেছিল। আল্লাহ তাদের জবাবে বললেন, তোমাদের পূর্বে অনেক জাতিই কঠিন শাস্তির মুখে ধ্বংস হয়ে গেছে। তোমরা একবার তাদের পরিণতির কথা চিন্তা করে দেখ! বরং অতীত থেকে শিক্ষা নেবার চেষ্টা কর এবং শাস্তির জন্য তাড়াহুড়া করো না। তোমাদের প্রতিপালক মহান আল্লাহ অত্যন্ত দয়াময়। তোমরা সুপথে ফিরে আসলে তিনি তোমাদের অতীত পাপ ক্ষমা করে দিবেন। তিনি পরম ক্ষমাশীল, মেহেরবান।

    এই আয়াতে আমাদের জন্য শিক্ষা হচ্ছে, ঐশী শাস্তির ফলে ধ্বংসপ্রাপ্ত অতীত জাতিগুলোর ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা এবং নিজেদের জন্য আল্লাহর অনুগ্রহ প্রত্যাশা করা।
    এখানে লক্ষনীয় আরেকটি বিষয় হলো, পাপাচার এবং ঔদ্ধত্যের কারণে মহান আল্লাহ সাথে সাথেই মানুষকে শাস্তি দেন না, তিনি মানুষকে সংশোধনের সুযোগ দেন। মানুষ তার ভুলের জন্য অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করলে তিনি তাদেরকে ক্ষমা করে দেন। সূত্রঃ রেডিও তেহরান।